রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
সদ্য খবর

দায়িত্বকে আমানত মনে করে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে —-অ্যাডভোকেট জুবায়ের

প্রকাশক: নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশ : ০৮/১১/২০২৬, ১২:০২ | ২ ঘণ্টা আগে

 

বাংলাদেশ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিলেট অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনে দায়িত্ব কোনো পদ-পদবি নয়, বরং এটি একটি আমানত। এই আমানত যথাযথভাবে রক্ষা করতে দায়িত্বশীলদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দায়িত্ব চেয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই, আবার দায়িত্ব অর্পিত হলে অবহেলারও সুযোগ নেই। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও শুরা সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত শুরা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষের নানা সমস্যা ও সংকট মোকাবিলায় দায়িত্বশীলদের জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। শুধু সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদ ও প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে হবে। সততা, যোগ্যতা ও জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। সংগঠনের প্রকৃত শক্তি শুধু জনবল নয়, বরং আদর্শিক দৃঢ়তা, ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানুষের ভালোবাসা।

মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহানগর নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নবগঠিত শুরা পরিষদের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বক্তব্য রাখেন- সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, অধ্যাপক আব্দুল হান্নান ও হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, সাবেক মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন, মহানগর নায়েবে আমীর ও আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, নায়েবে আমীর ডাক্তার মো: ফখরুল ইসলাম, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, অতীতের ধারাবাহিকতায় আগামী দিনেও শুরা সদস্যদের ময়দানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করতে দাওয়াতি কাজের পরিধি বাড়াতে হবে। মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার পাশাপাশি সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পারস্পরিক সমন্বয়, ঐক্য ও সহযোগিতা বজায় রেখে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে।
(Admin)

আরও পড়ুন